# Tags

কুমিল্লা বরুড়া আদমসার গ্রামে দেখা মিলেছে ভ’ন্ড জ্বী’ন কবিরাজের

মোঃ মহিবুল্লাহ ভূঁইয়া কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধঃ কুমিল্লা বরুড়া আদমশার গ্রামে দেখা মিললো রোকেয়া বেগম নামে এক ভণ্ড জ্বিন কবিরাজের! যিনি চিকিৎসা ও হারিয়ে যাওয়া জিনিসপত্র বের করে দেওয়ার নামে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সহজ-সরল মানুষদের নিকট থেকে হা’তি’য়ে নিচ্ছে ল’ক্ষ ল’ক্ষ টাকা।

বিভিন্ন ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় নিউজ প্রকাশিত হলে কিছুদিনের জন্য এই ভন্ড রোকেয়ার কবিরাজি করা বন্ধ থাকে।

বিশেষ সূত্রে আরো জানা যায়, সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য সাংবাদিকরা যাওয়ায় অ’জ্ঞা’ন হয়ে যান এই ভ’ন্ড জ্বীন কবিরাজ রোকেয়া বেগম।

অ’জ্ঞা’ন হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তার ভাই আবুল কাশেম বলেন,
“জ্বী’ন কবিরাজ রোকেয়া বেগম যখন চিকিৎসা দেন, তখন সাংবাদিক ও পুলিশের লোক গেলে নাকি-
রোকেয়া বেগমকে ভর করা জ্বী’নগুলো চলে যায় এবং তিনি অ’জ্ঞা’ন হয়ে যান।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, প্রায় ১৫ বৎসর যাবত রোকেয়া বেগমের আপন বড় ভাই খোশবাস ইউনিয়নের ইলাশপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হকের ছেলে আবুল কাশেম এবং তার দেবর গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রীর সহযোগিতায় জ্বী’নের মাধ্যমে চিকিৎসা ও হারিয়ে যাওয়া জিনিসপত্র বের করে দেওয়ার নাম করে সহজ-সরল মানুষের নিকট থেকে হা’তি’য়ে নিচ্ছেন তিনি ল’ক্ষ ল’ক্ষ টা’কা!

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ভন্ড জ্বীন কবিরাজ রোকেয়া বেগম যদিও কিছুদিন কবিরাজি করা বন্ধ রাখে, তার কয়েক দিন পর পুনরায় আবারো চালু করে। এমন সংবাদ জানতে পেরে গত ৭ই নভেম্বর শনিবার দুপুর ১২ টায় সাংবাদিকরা অনুসন্ধানে গেলে, ভন্ড জ্বীন কবিরাজের কবিরাজি করার দৃশ্য গোপন ক্যামেরায় ধারণ করতেই টের পায় ভন্ড জ্বীন কবিরাজ।

এরপর ঘরে থাকা ৪-৫ জন অজ্ঞাত নামা পুরুষ এসে সাংবাদিকের সাথে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। সেই ভিডিও ডিলিট করার জন্য সাংবাদিকের হাতে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ওই ভিডিওগুলো ডিলেট করে দেয়।
পরে স্থানীয়রা এসে সাংবাদিকের মুঠোফোন উদ্ধার করেন।